











আপনি কি একজন ফেসবুক উদ্যোক্তা?
ফ্যাশন আইটেম নিয়ে কাজ করছেন?
এখন এই রকম ব্যবসা করা অনেক কঠিন হয়ে পড়েছে…
একদিক এ ডলার এবং এড এর খরচ বেড়েই চলেছে। আরেকদিকে সঠিক জায়গা থেকে কাপড় সোর্স করার ইনফরমেশন পাওয়াটাও জটিল কাজ।
বিজনেস ছোট থাকা অবস্থায়, বা নতুন শুরু করলে অনেক সমস্যার মধ্যে গিয়ে যেতে হয়।
বিভিন্ন কাপড় কোথা থেকে সোর্সিং করবেন, সেটা বানাবেন কিভাবে, বা যদি বানিয়েও ফেলেন তখন সেল কিভাবে করবেন।
সেল যদি হয়ও কিছুদিন, টিকে না কেন? এই বিষয়গুলো প্রত্যেকদিনের মাথাব্যথা…
অনেকের ব্যবসায় সেল না হওয়াতে সম্পূর্ণ লস হয়ে যায় । বন্ধ করে দিতে হয়।
আর না হয় প্রতিদিন ডলার খরচ হতে থাকে আর দুই একটা অর্ডার এর আশায় সারাটা দিন চলে যায়। এরপর দিন শেষে শুধুই হতাশা…
তার উপর এখন আর ফেসবুক এ শুধু বুস্ট করে দিয়েই রেজাল্ট পাওয়া যায় না। মার্কেটে এতো কম্পিটিশন যে সবাইকেই এখন সঠিক উপায়ে এড দেয়া শিখতে হচ্ছে।
এর উপর আছে অতিরিক্ত রিটার্ন ও ফেক অর্ডার আসার ঝামেলা। হুটহাট এড একাউন্ট ব্যান হয়ে যাওয়ার ঝামেলা।
আবার সবার থেকে নিজেকে অনন্য করার জন্যে মডেল বা প্রোডাক্ট ফোটোগ্রাফিতে খরচ করাও এখন খুব প্রয়োজন হয়ে দাড়িয়েছে।
এইসব শিখতে গিয়ে অনেক সময় ও টাকা খরচ হয়ে যায়। গত ৪বছর ধরে নিজের এবং ক্লায়েন্টদের ব্যবসা চালাতে গিয়ে অনেক হোঁচট খেয়ে আমাকে এগুলো শিখতে হয়েছে।
আপনার সামনে পথচলা অনেকটাই সহজ হয়ে যাবে যদি এই অভিজ্ঞতাগুলো আগে ভাগেই পেয়ে যান। এতে কয়েকবছর সময় এবং কয়েক লক্ষ টাকা নষ্ট হওয়া থেকে বেঁচে যাবে।
এইরকম যদি আপনার অভিজ্ঞতা হয়ে থাকে তাহলে ‘ফেসবুকে কাপড় ব্যবসার যত সিক্রেটস’ ই-বুকটি আপনার জন্যই লেখা।
আমারো একই অবস্থা হয়েছিল…
একটা ভালো ২০২২ কাটানোর পর দুর্বিষহ একটা ২০২৩ দিয়ে যেতে হয়েছে…
যেই প্রোডাক্ট দিনে ১০০+ সেল হতো, সেটার ৩০টাও আর যায় না। এদিকে ডলারের দাম বেড়েই চলেছে।
ফেসবুকেও প্রচুর কম্পিটিশন । ফাইনাল সিদ্ধান্ত নিলাম, হয় এটাকে ঠিক করবো নয়তো আর ব্যবসাই করবো না।
দিনরাত পড়াশুনা করতে থাকলাম। কিভাবে ফেসবুক কাজ করে, কিভাবে পিক্সেল সেটাপ করে। সেরা মার্কেটাররা কিভাবে এড দেয়।
আসতে আসতে বুঝতে শুরু করলাম আমার জ্ঞান এর কত অভাব ছিল।
একটু একটু করে আবার চেষ্টা করতে শুরু করলাম। নতুন একটা এড খুব ভালো করলো। ১দিন, ২দিন, ৩দিন, ৪দিন। …খুব ভালো লাগছিলো। ৫ম দিন থেকে একটু করে পড়ে যেতে শুরু করলো। কেন পড়ছে বুঝতেও পারছিলাম না। ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে লস হওয়া শুরু করলো। সব ভালো লাগা চলে গেলো।
আবার শুরু করলাম টেস্টিং এবং পড়াশুনা। সারাদিন চলে যেত এডস ম্যানেজার এ এডস নিয়ে এক্সপেরিমেন্টস করে, কোর্স দেখে এবং পড়ার টেবিলে। অনেক নতুন নতুন ভুল করলাম। খারাপ এড এ টাকা ঢেলে লস বাড়ালাম। কিন্তু প্রতিটা দিন, প্রতিটা দিন ছিল শিক্ষণীয়।
এতদিন ব্যবসা করার কারনে এবং পরে বেশ কিছু নতুন উদ্যোক্তাকে হেল্প করতে যেয়ে বিভিন্ন সোর্সিং সমন্ধে আমার জানা হয়েছে যা হয়তো অনেকেই জানতে চান।
অনেকবার এড একাউন্ট আমারো ব্যান হয়েছে। বা, অনেক সেল আসার পর সব খুশি মাটি হয়ে গিয়েছে যখন দেখি রিটার্ন রেট ৩০% এর উপর!
সব চড়াই উতরাই পাড়ি দিয়ে আমাকে এর মধ্যেই রাস্তাগুলোকে চিনে নিতে হয়েছে। এই অভিজ্ঞতাগুলো এখন আপনার কাজে দিবে।