ওয়ারেন বাফেট কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, ছোট ব্যাবসাগুলোর জন্যে তার কোনো সাজেশন আছে কিনা। সে বলেছিলঃ “ডিলাইট ইওর কাস্টমারস”। খেয়াল করে দেখুন সে কিন্তু হ্যাপি, বা স্যাটিস্ফাই এইসব ওয়ার্ডস ব্যবহার করেন নাই। কিন্তু একটা স্পেসিফিক শব্দ, ‘ডিলাইট’।
কাস্টমারের সুখ দুঃখ নিয়ে কতটা ভাবি আমরা? তাদেরকে যেই প্রডাক্ট বা সার্ভিসটাই দিচ্ছি না কেন, এটা দিয়ে তাদের জীবনটাকে কিভাবে আরো সুন্দর করা যায়, তাদেরকে স্বপ্ন পূরনের লক্ষ্যে কিভাবে আরো এগিয়ে নেওয়া যায় সেটা নিয়ে কি আমাদের ঘুম হারাম হয়?
না আমরা শুধু ভাবি, যা-ই প্রোডাক্ট বা সার্ভিস আছে এটাকে কিভাবে আরো বেশি করে ‘গেলানো’ যায়।
অথচ, একটা ব্যাবসার উদ্দেশ্যটা কি? হ্যা, শেয়ারহোল্ডাররা, এবং ফাইন্যান্স এর লোকরা বলবে, শুধু টাকা কামানোই ব্যাবসার উদ্দেশ্য। কিন্তু এভাবে চিন্তা করে শুধু এমন হোটেলই তৈরি হবে, যেখানে কিভাবে মশলা কম দিয়ে এক টাকা প্রফিট বের করা যায় সেটা নিয়ে চিন্তা চলে। তার বদলে হোটেল মালিক যদি পরিশ্রম করে, সময় দিয়ে এমন একটা রেসিপি বের করতো যে টেস্ট একই থাকবে, অথচ, তেল এবং অন্যান্য ক্ষতিকারক উপাদান কম লাগবে? তাহলে সে দাম ২০ টাকা বাড়িয়ে দিয়েও ‘লয়্যাল’ কাস্টমারস পেয়ে যেত।
নিজের পকেট ভারি করার চিন্তা আমরা অবশ্যই করব। কিন্তু সবসময় না। ব্যাবসার সাথে জড়িত সবাইকে ভাবতে হবে, কিভাবে পৃথিবীতে আরো অবদান রাখা যায়। আর যখন সত্যিই তা করতে থাকবেন, এর প্রতিদানও পাবেন ইনশাআল্লাহ।