Posted on — Leave a comment

আপনার ব্যবসায় লুকিয়ে আছে আরো কয়েক লাখ টাকা। এগুলো বের করে আনতে শিখুন।

ধরুন আপনার অ্যাড টা ১০০ জন লোক দেখলো। 

তাদের মধ্যে ৫ জনের আপনার অফারটা খুবই পছন্দ হয়েছে। ২ জন সাথে সাথেই কিনে ফেলল। কংগ্রাচুলেশন্স!

বাকি ৩ জন মাইনর কোন প্রব্লেম এর জন্যে এখনো কিনে নাই। যেমন, হয়তো বিকাশ একাউন্ট এ টাকা নাই, কোন কাজে ব্যস্ত ছিলো, লিঙ্ক হারিয়ে ফেলেছে ইত্যাদি। উফ!

তো এই রকম অডিয়েন্স যে কিনা আপনার প্রডাক্ট নিতে খুবই আগ্রহী কিন্তু এখনো নেয় নাই, এরা হলো ‘Most Aware’ – state of awareness এ আছে। এই রকম প্রসপেক্টকে বিক্রি করা পানির মত সহজ। 

জাস্ট তার অসুবিধাটার সমাধান করে আরেকটা অ্যাড দিন। অলসতার জন্যে কিনে নাই? তাহলে একটা ডিস্কাউন্ট দিন যেটা শুধু আজকের জন্যে। এবার আর অলসতা করবেনা, বিকাশ একাউন্টে টাকার ও অভাব হবে না।

ঘরের পাশে পাওয়া যাচ্ছিলো না? তাহলে অ্যাড হবে এই প্রডাক্ট এর হোম ডেলিভারি সুবিধা নিয়ে। ইত্যাদি।

এই সহজ, বট্ম অফ দা ফানেল কাস্টমারগুলোকে আমরা অনেকেই মিস করি। বিগ মিসটেক।

অনেক সময় মেসেজে ব্যাক করে জাস্ট কেনার কথা মনে করিয়ে দিলেও এই প্রসপেক্টগুলো কনভার্ট হয়। জি এতই সহজ!

আচ্ছা, এই ৩ জনকে ধরলেন। এখনো আরো ৯৫ জন আছে যারা আগ্রহী না। তাদের কিভাবে ধরবেন? (সহজে বোঝানোর জন্যে ধরে নিচ্ছি এরা সবাই প্রসপেক্ট। আসলে যারা অ্যাড দেখে সবাইতো আর প্রসপেক্ট না।

এদের মধ্যে আপনার প্রডাক্টের প্রতি আকাঙ্ক্ষা বহুগুণে বাড়িয়ে দিতে হবে। এই ব্যাপারে পরবর্তী পোস্টে কথা বলবো।

Posted on — Leave a comment

গডফাদার অফার

শার্ক ট্যাঙ্ক অস্ট্রেলিয়ার নতুন শার্ক সাব্রি সুবি একজন মার্কেটার। তার সাফল্যের পেছনের রহস্য হিসেবে তিনি তার গডফাদার অফার স্ট্রাটেজি শেয়ার করেছেন।

গডফাদার মুভিটি যারা দেখেছি তারা এই স্ট্রাটেজিটা জানি। ‘Make them an offer they can’t refuse’। এমন অফার করতে হবে যেটা কেউ হাতছাড়া করতে চাইবে না। সাব্রি সুবি বলেন যে অফার এমন হতে হবে, যাতে ব্যবসার মালিক টেনশনে রাতে জেগে থাকেন। তার মানে এমন বিশাল অফার হতে হবে যে এটা পূরণ করতে নিজের সর্বোচ্চটা দিতে হবে।

গডফাদার অফার তৈরী করার জন্যে সাব্রি ৭ টা স্টেপস শেয়ার করেছেন।

১. কারন : অফারটি দেয়ার একটা কারন থাকতে হবে। আপনি এমন অদ্ভুত অফার কোনো দিচ্ছেন? আপনার স্টক খালি করতে হবে, নতুন কোনো ডিলার পেয়েছেন, বা প্রোডাক্ট বানানোর নতুন কোনো সিস্টেম ব্যবহার করছেন? এভারেজ অর্ডার ভ্যালু বাড়ানোর জন্যে একসাথে কয়েকটা অর্ডার করলে এক্সট্রা সুবিধা দিচ্ছেন? ইত্যাদি।

২. মূল্য: সাব্রি একদম নতুন কাস্টমারকে আপন করে নেয়ার মাস্টার। উনি একদম রেডি কাস্টমার এ বেশি ইন্টারেস্টেড না। কারন সেখানে কম্পিটিশন বেশি। তার ইন্টারেস্ট হলো যাদের এখনো অন্য সেলাররা টার্গেট করে নাই তাদের নিয়ে। তাই তার স্ট্রাটেজিগুলোতে বারবার ‘wining and dining’ এর কনসেপ্টটা আসে। সে বলে আপনার প্রোডাক্ট এর প্রাইস যত কম রাখা যায় ভালো। এমনকি লস দিয়ে বিক্রি করলেও সমস্যা নাই। প্রফিট হবে আপসেল দিয়ে। ফানেল এমনভাবে সাজানো হবে যে কোল্ড কাস্টমার একবার কিনে হট কাস্টমার হয়ে গেলে তাকে বিভিন্ন আপসেল, সাবস্ক্রিপশন ইত্যাদি দিয়ে প্রফিট করে নেয়া যাবে।

৩.ভ্যালু: মূল্যের তুলনায় ভ্যালু হতে হবে আকর্ষণীয়। কাস্টমারকে জানাতে হবে এই অফারটা নিলে তার কত বেশি উপকার হবে, এমনকি হয়তো ইনকাম বেড়ে যাবে, বা অনেক টাকা সেভ হবে। তার তুলনায় মূল্যটা নগন্য।

৪. বোনাস: শুধু অফার থাকলেই হবে না। সাথে গিফটস এবং বোনাস দিতে হবে। এজন্যই বিভিন্ন ইনফোমার্শিয়াল এ ‘wait there’s more’ এই রকম একটা সেকশন থাকে। কারন এতে কনভার্শন বেড়ে যায়।

৫. কিস্তি: আগামীকাল এর টাকার চেয়ে আজকের টাকাকে মানুষ বেশি ভালোবাসে। তাই পেমেন্ট অপশন, EMI ইত্যাদি দিয়ে সেল বাড়িয়ে দেয়া যায়।

৬. নিশ্চয়তা: কাস্টমার এর থেকে সব রিস্ক সরিয়ে নিজের ঘাড়ে নিতে হবে। এতে কনভার্শন অনেক বেড়ে যাবে। যেমন, টাকা ফেরত দেয়ার গ্যারান্টি। কিংবা ১মাস ফ্রি ব্যবহার করার সুযোগ। বা, ৭ দিনের মধ্যে ফ্রি রিটার্ন/এক্সচেঞ্জ এর সুবিধা ইত্যাদি।

৭. তাড়াহুড়া : অফারটা লিমিটেড সময়ের জন্যে। বা, আজকের জন্যে শুধু ডিসকাউন্ট। বা, স্টক দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে। এইরকম scarcity তৈরি করতে পারলে কাস্টমার হেলা ফেলা করবে না। দ্রুত অ্যাকশন নিবে।

May be an image of ‎text that says '‎আপনি জানেন কি? এইরকম স্ট্রযাটেজি ব্যবহার করে অ্যাড খরচ ፁ% কমে আস্তে পারে! ۹ل‎'‎